সিলেটের রাফিউল: চা বাগানের পাশ থেকে gv666-এ বিপিএল বেটিং
সিলেটের মৌলভীবাজার জেলায় থাকেন রাফিউল ইসলাম। বয়স ২৮। পেশায় ছোট ব্যবসায়ী। ক্রিকেটের প্রতি তার আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই। বিপিএল আসলে তার মতো ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে যেন উৎসবের মৌসুম। ২০২৩ সালের শেষ দিকে এক বন্ধুর কাছে gv666-এর কথা শুনে তিনি প্রথম অ্যাকাউন্ট খোলেন।
রাফিউল বলেন, শুরুতে ভয় ছিল। অনলাইনে টাকা দেওয়া নিয়ে দ্বিধা ছিল। কিন্তু gv666-এ বিকাশে প্রথম ডিপোজিট করার পর যখন সঙ্গে সঙ্গে ব্যালেন্স দেখা গেল, তখন বিশ্বাস হলো। প্রথম বেটটা ছিল মাত্র ৳১০০-এর। সিলেট স্ট্রাইকার্সের জয়ের উপর। ম্যাচ শেষে জয়ও হলো, টাকাও এলো।
"আমি প্রতিটা ম্যাচের আগে দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, পিচের অবস্থা, আবহাওয়া – এগুলো দেখতাম। gv666-এ এই তথ্যগুলো সহজে পাওয়া যায়। এটাই আমার সুবিধা করে দিয়েছে।"
রাফিউলের কৌশল কী ছিল?
রাফিউল কখনো তার ব্যালেন্সের ২০%-এর বেশি একটি বেটে দেননি। এই নিয়মটা তিনি নিজেই ঠিক করেছিলেন শুরু থেকেই। দ্বিতীয়ত, তিনি টস জেতার পর বেট পরিবর্তন করতেন না। একবার সিদ্ধান্ত নিলে সেটায় অটল থাকতেন। তৃতীয়ত, প্রতিদিন বেট না করে শুধু যেসব ম্যাচ সম্পর্কে তিনি বেশি জানেন, সেগুলোতেই বেট করতেন।
বিপিএল ২০২৬ মৌসুমে রাফিউল মোট ৩৪টি বেট করেছিলেন। এর মধ্যে ২২টিতে জিতেছেন। জয়ের হার প্রায় ৬৫%। gv666-এর লাইভ স্ট্যাটিস্টিক্স ব্যবহার করে তিনি শেষ দশ ওভারে লাইভ বেটও করেছেন কয়েকটা ম্যাচে, যেখানে তার বিশ্লেষণ সঠিক প্রমাণিত হয়েছে।